রোকসানা বেবি ফ্রক তৈরি করলেন এবং এতে ব্লক পদ্ধতিতে নকশা করলেন। ব্লক প্রিন্টের জন্য প্রথমে পছন্দ অনুযায়ী ব্লক নির্বাচন করতে হয়। তারপর টেবিলের ওপর কয়েক প্রস্থ কম্বল বিছিয়ে তার উপর কোরা কাপড় এমনভাবে পিন দিয়ে আটকিয়ে দিতে হয় যাতে প্রিন্টিংয়ের সময় কাপড় টানটান করে ছড়িয়ে থাকে বা কোনো ভাঁজ সৃষ্টি না হয়। ছাপার রঙের জন্য একটি কালার ট্রে এর নিচে রাবার ক্লথ দিয়ে আটকিয়ে তার ওপর মাপমতো ৩-৪ সে.মি. পুরু ফোমের টুকরা বিছিয়ে দিতে হয়। এবার ফোমের ওপর এক টুকরো পশমি কাপড় বা চট বিছিয়ে তারপর রং ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বাজারে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুত রং পাওয়া যায় যা ব্লকে ভালোভাবে লাগিয়ে কাপড়ের উপর ছাপ দিলেই ছাপা হয়ে যায়। আবার প্রুশিয়ান পেস্ট তৈরি করেও রং করা যায়। পেস্ট তৈরির জন্য প্রুশিয়ান রং, ফুটন্ত গরম পানি, ইউরিয়া সার, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, গলানো গাম, রেজিস্ট সল্ট, গ্লিসারিন প্রভৃতি উপাদান পরিমাণ মতো মিশিয়ে তৈরি করা হয়। পেস্ট হয়ে গেলে ছাঁকনির সাহায্যে ছেঁকে গ্লিসারিন মিশিয়ে কাপড় প্রিন্ট করতে হবে। এ পেস্ট দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে কাজ করাই উত্তম। প্রিন্ট হয়ে গেলে ছায়ায় এবং কিছুদিন রোদে শুকাতে হবে। প্রুশিয়ান রঙে ব্লক প্রিন্ট করার পর স্টিম ও ধোলাই করতে হয়। এভাবে রোকাসানা ব্লক করে ফ্রকটিকে আকর্ষণীয় করে তোলেন।
Related Question
View Allসমতল কাগজে পোশাকের নমুনা আঁকা হয়।
পোশাক তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো ড্রাফটিং। কোনো পোশাক তৈরি করতে গেলে প্রথমে একটি নমুনা আঁকা হয়। একে মূল নকশা বা মূল ড্রাফট বলে। এরপর মূল নকশাকে ভিত্তি করে দেহের মাপ অনুযায়ী সমতল কাগজে যে চূড়ান্ত নকশা আঁকা হয় তাকেই বলে প্যাটার্ন ড্রাফটিং।
উদ্দীপকে রোজিনা নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুযায়ী কাপড় ছেঁটে শিশুর পোশাকটি উপযোগী করে তৈরি করতে পারতো।
পোশাক সুন্দর ও মানানসই করার জন্য প্রয়োজন সঠিকভাবে দেহের মাপ নেয়া। দেহের মাপ সঠিক না হলে পোশাক পরিধানের উপযোগী হয় না।
রোজিনা প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তিন বছরের শিশুর জন্য ফতুয়া তৈরি করার জন্য কাপড় কিনে। সে শিশুটির কাঁধের মাপের ১/৩ অংশ, বুকের মাপের ১/২ অংশ মাপ নিয়ে কাপড়টি কেটে ফেলে। পোশাকটি তৈরি করার পর শিশুটিকে ফতুয়া পরানোর চেষ্টা করলে তা গায়ে ঢোকে না। কারণ ফতুয়া বানানোর জন্য প্রথমে পরিকল্পনা অনুসারে কাপড়ের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। পরে নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুযায়ী কাপড়টি ছেঁটে সেলাই করতে হবে। একটি ৩ বছরের শিশুর ফতুয়া তৈরির জন্য প্রয়োজন ১ গজ কাপড়। ফতুয়া তৈরির সময় পিন দিয়ে কাপড়টি আটকাতে হবে। এরপর নকশা অনুযায়ী কাপড় ছাঁটতে হবে। কাপড়টি ছাঁটার পর পেছনের অংশ আলাদা করে সামনের অংশের বগলের শেইপ ও গলা ছেঁটে সেলাই করতে হবে। তাই বলা যায়, নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুযায়ী কাপড় হেঁটে রোজিনা তার শিশুর পোশাকটি উপযোগী করে তৈরি করতে পারতো।
পোশাকটি তৈরিতে রোজিনার ত্রুটি ছিল।
রোজিনার প্রথম ত্রুটি ছিল যে সে কোনো ড্রাফটিং করে নেয় নি। অথচ যেকোনো পোশাক তৈরির প্রথম ধাপ হলো মূল নকশার পরিকল্পনা করে কাপড়ে ড্রাফটিং করা। এরপর কাপড় ছাঁটাই করা। কাপড়কে সঠিক পদ্ধতিতে ভাঁজ করে তার উপর ড্রাফটিং এর কাগজ রেখে পিন দিয়ে আটকিয়ে নিতে হবে। এরপর নকশা অনুযায়ী কাপড় ছাঁটতে হবে। এছাড়া রোজিনা শিশুটির কাঁধের ও বুকের যে মাপ নেয় তাতেও ত্রুটি ছিল। ৩ বছরের শিশুর ফতুয়ার ক্ষেত্রে কাঁধের মাপের অর্ধেক ও বুকের মাপের ১/৪ অংশের মাপ নিয়ে কাজ করতে হয়। সেলাই করার মধ্যেও তার ত্রুটি ছিল। সে ফতুয়াটি সেলাই করার সময় পাশে কোনো কাপড় রাখে নি। ফলে যখন কাপড়টি গায়ে ঢুকছিল না তা খুলে ঢিলা করার জন্যও কোনো কাপড় ছিল না।
এ সকল কারণ বিবেচনা করে আমি মনে করি, পোশাকটি তৈরিতে রোজিনার ত্রুটি ছিল।
সমতল কাগজে পোশাকের নমুনা আঁকা হয়।
পোশাক তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো ড্রাফটিং। কোনো পোশাক তৈরি করতে গেলে প্রথমে একটি নমুনা আঁকা হয়। একে মূল নকশা বা মূল ড্রাফট বলে। এরপর মূল নকশাকে ভিত্তি করে দেহের মাপ অনুযায়ী সমতল কাগজে যে চূড়ান্ত নকশা আঁকা হয় তাকেই বলে প্যাটার্ন ড্রাফটিং।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!